ব্লুটুথ অডিও কোডেক, বিট রেট ও ডিভাইস সেটিংসের পর্যালোচনা
ব্লুটুথ অডিও কোডেক, বিট রেট এবং বিভিন্ন ডিভাইসের সেটিংস নিয়ে সম্প্রতি একটি বিশদ পর্যালোচনা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে এসবিসি, এএসি এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া
প্রযুক্তি বিশ্বে ব্লুটুথ অডিও কোডেক, বিট রেট এবং ডিভাইস সেটিংস নিয়ে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা ও ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। এই পুরো বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করেছেন অমজি দেব। মূলত অডিও ডেটা উৎস থেকে ব্লুটুথ হেডফোন বা স্পিকারে প্রেরণের মাধ্যম হিসেবে কোডেক কাজ করে। কোডেক শব্দটির পূর্ণরূপ হলো কোডার এবং ডিকোডার।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্লুটুথ প্রযুক্তির ক্যাপাসিটি বা সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রায় দুই এমবিপিএস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। বর্তমানের ব্লুটুথ সিস্টেমে এসবিসি হলো স্ট্যান্ডার্ড বা আদর্শ কোডেক, যা বাজারে উপলব্ধ প্রতিটি ব্লুটুথ ডিভাইসেই অন্তর্ভুক্ত থাকে। এসবিসি কোডেকের বিট রেট প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৩৪৮ কিলোবিটস পর্যন্ত হতে পারে, তবে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই এটিকে কমিয়ে ২৫৬ কিলোবিটস-এ সীমাবদ্ধ করে রাখে।
স্যামসাং, সনি, কোয়ালকম এবং অ্যাপলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের ডিভাইসে ভিন্ন ভিন্ন কোডেক সমর্থন করে। এর মধ্যে অ্যাপল ডিভাইসগুলো কেবল এএসি এবং এসবিসি কোডেক সমর্থন করে থাকে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের ইকোসিস্টেমে কোডেকের ব্যবহার কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যবহারকারীদের জন্য কোডেক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ডেভেলপার অপশন সচল করে অথবা থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেদের পছন্দমতো কোডেক টগল বা পরিবর্তন করতে পারেন।
ডিজিটাল অডিওর ক্ষেত্রে স্যাম্পল রেটের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, ৪৪.১ কিলোহার্জ স্যাম্পল রেটের অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৪৪ হাজার ১০০টি স্ন্যাপশট বা নমুনা ধারণ করা হয়। এনগ্যাজেটসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি মাধ্যমে প্রকাশিত এসব তথ্যের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের ব্লুটুথ ডিভাইসের অডিও মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে পারেন।
তথ্যসূত্র: Engadget
আপনার প্রতিক্রিয়া