বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ১১তম বাপা ফুডপ্রো এক্সপো
রাজধানীর বসুন্ধরায় আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ১১তম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। মেলায় ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নেবে এবং দেড় শতাধিক বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা উপস্থিত থাকবেন। মঙ্গলবার ঢাকার সোবহানবাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং প্রযুক্তিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী ১১তম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো আগামী বৃহস্পতিবার শুরু হয়ে শনিবার পর্যন্ত চলবে। মেলাটি রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রদর্শনী উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকার সোবহানবাগে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের প্রদর্শনীতে ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নেবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলায় অংশগ্রহণের জন্য ১৫৬ বিদেশি বিনিয়োগকারী আসছেন। এর মধ্যে দেড় শতাধিক বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা সরাসরি উপস্থিত থাকছেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষ থেকেও এই আয়োজনে সম্পৃক্ততা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাপার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন মাহবুব আনাম, আহসান খান চৌধুরী ও ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান। তাদের বক্তব্যে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও মেলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বাপার মাহবুব আনাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'এই প্রদর্শনী উদ্যোক্তাদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের আহসান খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, 'বর্তমান ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে উৎসাহিত করছে।'
সব মিলিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে বলে আয়োজকরা ধারণা করছেন।








