লিটনের চোট ও চিকিৎসানীতি নিয়ে বিসিবির সংবাদ সম্মেলন
লিটন কুমার দাসের চোট নিয়ে গত দুই মাসের আলোচনা ও সিঙ্গাপুরে সমস্যা ধরা পড়ার পর কঠোর অবস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির মেডিকেল বিভাগের চেয়ারম্যান সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মেডিকেল বিভাগের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে মূলত জাতীয় দলের ক্রিকেটার লিটন কুমার দাসের ইনজুরি এবং খেলোয়াড়দের ইনজুরি ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ নীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিসিবির মেডিকেল বিভাগের চেয়ারম্যান সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। সাম্প্রতিক সময়ে লিটন কুমার দাসের চোট নিয়ে গত দুই মাস ধরে নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন চলছিল এবং পরবর্তীতে তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে সমস্যা ধরা পড়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাসের স্ক্যান রিপোর্ট নিয়ে কথা বলেন সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। তিনি জানান, কোথাও বলা হয়নি যে রিপোর্ট ঠিক ছিল না। রিপোর্ট সম্পূর্ণ ঠিক ছিল এবং রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে তার এখানের মধ্যে যে গ্রেড ওয়ান ইনজুরি আছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে প্রথম এই রিপোর্টটা করা হয়েছে অর্থাৎ প্রথম যে স্ক্যানটা করা হয়েছে সেটা দুদিন পরে করা হয়েছে এবং সেকেন্ড স্ক্যানটা ছিল সেটা ১৪ দিন পরে করা হয়েছে।
নিজেকে একজন মেডিকেল পার্সন এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ (প্রফেসর অব ডার্মাটোলজি) হিসেবে পরিচয় দিয়ে সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম বলেন, তিনি এগুলো লম্বা সময় ধরে দেখে আসছি এবং করে আসছি। তিনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন যে দুটো রিপোর্টের মধ্যেই ঠিকমতোই আসছিল জিনিসগুলা যে ইনজুরি আছে।
অতীতে খেলোয়াড়দের ইনজুরি ব্যবস্থাপনায় বোর্ডের কিছু ত্রুটি ও আপসের কথা স্বীকার করে বিসিবির মেডিকেল বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা এইটা অনেক সময় হয়তোবা কম্প্রোমাইজ করেছি যেটা আগেই করা উচিত ছিল না। অন্যান্যদের অনুরোধ শুনে আমরা হয়তোবা আগেই স্ক্যান করতে দিয়েছি অথবা নির্বাচক বা টিমের কারও অনুরোধে আমরা আগেই খেলতে করতে দিয়েছি।
তিনি আরও যোগ করেন যে, তারা আগে চিকিৎসার নির্ধারিত নিয়ম ভেঙেছেন। হয়তো কেউ তাদের অনুরোধ করেছে যে, এই খেলোয়াড়কে একটু আগেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ফেরানো যায় কি না। তারা এসব ক্ষেত্রে আপস করেছেন, তবে ভবিষ্যতে আর কোনো আপস করবেন না। বোর্ড সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চলবে এবং তাদের অনুমতি ছাড়া কেউ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না বলে দৃঢ় ঘোষণা দেওয়া হয়।
লিটন দাসের মাঠে ফেরার বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, তার ক্যারিয়ারের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে অবশ্যই তার চোট পুরোপুরি ঠিক করেই মাঠে ফেরা উচিত। চোট থাকা অবস্থায় কোনো খেলোয়াড় খেললে তার আরও গুরুতর চোটে পড়ার ঝুঁকি থাকে এবং এটি খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। জাগো নিউজ-এর তথ্য অনুযায়ী এই সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাসের চোট এবং বিসিবির ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত এসব বিষয় উঠে আসে।








