বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার খবর সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়
বাংলাদেশ থেকে আগামী ছয় মাসে দুই লাখ কর্মী নেওয়ার খবরের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছেন, এটি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়। দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৬:৩২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ থেকে আগামী ছয় মাসে দুই লাখ কর্মী নেওয়ার খবরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল।
এর আগে দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছিল যে, বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ কর্মী নিয়োগ করবে মালয়েশিয়া। ওই সংবাদগুলোতে বাংলাদেশের এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল যে, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া থেকে এই বিশাল সংখ্যক কর্মী নেওয়া হবে এবং এর মধ্যে ১০ হাজার কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে নিয়োগ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল স্পষ্ট করে জানান যে, বাংলাদেশ থেকে দুই লাখ কর্মী নেওয়ার এই খবরটি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা অবস্থানকে প্রতিনিধিত্ব করে না। গণমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন বলে জানান।
ফাহমি ফাদজিল আরও উল্লেখ করেন যে, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর (আর রামানান) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে প্রকাশিত ওই বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য নয়।
মালয়েশীয় মন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি যত দূর বুঝতে পেরেছেন, কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত ওই বক্তব্যটি বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন। যেহেতু এটি কোনো যৌথ সিদ্ধান্ত বা সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়, তাই এটিকে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে ধরা ঠিক হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম যেমন মালয়েশিয়াকিনি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এবং স্থানীয় অন্যান্য সূত্র এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এছাড়া এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে শুহাদা ওসমান ও আবদুল মঈন খানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের নামও বিভিন্ন সূত্রে আলোচনায় এসেছে। তবে পুত্রজায়ার পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হলো যে, দুই লাখ কর্মী নেওয়ার যে খবর প্রচার হয়েছে, তার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কাঠামোগত বা আনুষ্ঠানিক নীতিগত অবস্থানের মিল নেই।








