ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ২৩ জনের মৃত্যু
ফিলিপাইনে মৌসুমি বায়ু এবং লুইস ও মেমে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দেশটির সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ফিলিপাইনে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এবং লুইস ও মেমে নামক দুটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টানা বর্ষণের ফলে সৃষ্ট তীব্র বন্যা এবং পাহাড় ধসের ঘটনায় দেশটিতে মারাত্মক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্যানুযায়ী, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ফিলিপাইনে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে দেশের বিভিন্ন জনপদ জলের নিচে তলিয়ে গেছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
দুর্যোগের শিকার অঞ্চলগুলোর মধ্যে লুজন দ্বীপ এবং ভিসায়াসের কয়েকটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব অঞ্চলের ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (এনডিআরআরএমসি) গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই হতাহতের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। সরকারি এই সংস্থাটি দেশজুড়ে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
টানা বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। দুর্গত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
মৌসুমি বায়ু এবং পরপর দুটি ঘূর্ণিঝড়ের জোড়া প্রভাবে ফিলিপাইনের আবহাওয়া পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল আকার ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।








