পেপ্যাল কিনতে স্ট্রাইপ ও অ্যাডভেন্টের আলোচনা
পেপ্যাল অধিগ্রহণের জন্য শেয়ারপ্রতি ৬০.৫০ ডলারে ৫৩ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়েছে স্ট্রাইপ ও অ্যাডভেন্ট ইন্টারন্যাশনাল। জুলাই মাসে এই আলোচনা শুরু হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অনলাইন পেমেন্ট জায়ান্ট পেপ্যাল। সিলিকন ভ্যালিতে বহুল আলোচিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে কিনে নেওয়ার জন্য আলোচনা চালাচ্ছে স্ট্রাইপ এবং প্রাইভেট ইকুইটি জায়ান্ট অ্যাডভেন্ট ইন্টারন্যাশনাল। এই অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে স্ট্রাইপ এবং অ্যাডভেন্ট ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে পেপ্যালকে অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেয়। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, পেপ্যালের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৬০.৫০ ডলার। এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে পুরো চুক্তিটির মোট আর্থিক পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ৫৩ বিলিয়ন ডলারে।
দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পেপ্যালের। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি বিশ্বজুড়ে অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতের নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে, পেপ্যালের করপোরেট নেতৃত্বেও পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে এনরিক লোরস পেপ্যালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও হিসেবে যোগদান করেন। তার যোগদানের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কৌশল এবং ব্যবসায়িক রূপরেখা নিয়ে নানা মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।
অধিগ্রহণ আলোচনার পাশাপাশি পেপ্যাল নিজস্ব ব্যয় সংকোচন পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। সম্প্রতি পেপ্যাল একটি ব্যয়-সংরক্ষণ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে তাদের মোট কর্মীবাহিনী ২০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে, পেপ্যালের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিশাল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্ট্রাইপ ও অ্যাডভেন্টের এই প্রস্তাব এবং অভ্যন্তরীণ নানা কাঠামোগত পরিবর্তন বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই আলোচনা ও প্রক্রিয়াগুলোর ওপর এখন নজর রয়েছে পুরো বাজার খাতের।








