পেন্টাগনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে রিচার্ড মারলেসের বৈঠক
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মারলেস ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে মার্কিন সমকক্ষ পিট হেগসেথের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও জোটগত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মারলেস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসির পেন্টাগনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সম্প্রতি মার্কিন এই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা বিষয় স্থান পায়।
বৈঠক শেষে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মারলেস মার্কিন জোটের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এই মৈত্রী ও জোট গত কয়েক দশক ধরে গড়ে উঠেছে। এটি মূলত বর্তমান সরকারগুলোর কার্যকালের সীমানা ছাড়িয়ে অনেকদূর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি বিষয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানের এই চ্যালেঞ্জিং ও কঠিন বিশ্বে এই জোটটি অতীতে যেমন ছিল, আজও ঠিক তেমনি সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য এই পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্পর্ককে ক্রমাগত বিকশিত ও শক্তিশালী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আর বর্তমানে ঠিক সেই কাজটিই করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
রিচার্ড মারলেস বলেন, দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই পারস্পরিক সহযোগিতা মূলত ইন্দো-পেশেন্ট অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে অত্যন্ত কেন্দ্রীয় একটি ভূমিকা পালন করে। মূলত এই বিষয়টির মাধ্যমেই শেষ পর্যন্ত প্রতিটি অস্ট্রেলীয় নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
এদিকে এই কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বৈঠকের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে সিডনির ওয়ালশ বে আর্টস প্রাঙ্গণে আগামী বছর থেকে একটি নতুন ফেরি স্টপ চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি ও আর্থিক বাজারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। বর্তমান আর্থিক বাজারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসের শেষ দিকে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া বা আরবিএ কর্তৃক সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ ধরা হয়েছে।
এছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও একবার বা দ্বিতীয় দফায় সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি এই বিষয়গুলোও বর্তমানে বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।








