পাবনার ফরিদপুরে ১১ রোগীর ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ১১ জন রোগীর ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১০ জন সিজারিয়ান এবং ১ জন গলব্লাডার অস্ত্রোপচারের রোগী।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ১১ জন রোগীর ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা বা টিবি শনাক্ত হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অবস্থিত ‘আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতাল’ নামের ওই বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
<প্রাসঙ্গিকতা>সম্প্রতি ওই হাসপাতালে বিভিন্ন সময় রোগীদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়া এসব রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং তাদের ক্ষতস্থান নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দেয়।
হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ও পরবর্তীতে বাড়ি ফিরে যাওয়া রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, অস্ত্রোপচার হওয়া ওই রোগীদের ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা রোগ বাসা বেঁধেছে।
<তথ্য>প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতাল’-এ অস্ত্রোপচারের শিকার মোট ১১ জন রোগীর ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।
<আক্রান্তদের_পরিচয়>আক্রান্ত এই ১১ জন রোগীর সবাই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১০ জনই নারী, যাদের সিজারিয়ান অপারেশন বা সিজার করা হয়েছিল।
বাকি ১ জন রোগীর ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশন নয়, বরং তার গলব্লাডার বা পিত্তথলি সংক্রান্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। অর্থাৎ, সিজার ও গলব্লাডার অস্ত্রোপচার করা মোট ১১ জন রোগীর ক্ষতস্থানেই পরবর্তীতে যক্ষ্মা ধরা পড়ে।
<হাসপাতাল>যে বেসরকারি হাসপাতালটিতে এই ঘটনা ঘটেছে, তার নাম ‘আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতাল’। পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অবস্থিত এই স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রোপচারের পর রোগীর ক্ষতস্থানে এমন জটিল রোগ শনাক্ত হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
<পাবনা>ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পাবনার ফরিদপুর উপজেলাজুড়ে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত হলো, সে বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।








