পল্লবীতে জমি দখল নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, মামলা
ঢাকার পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে গত শনিবার ও রবিবার জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। এ ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় বিহারি ক্যাম্পে ফাঁকা জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার ও রবিবার (২৯ আগস্ট থেকে) চলা এই সংঘর্ষের জardে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিগত গত শনিবার বিকেলে পল্লবীর তালাব ক্যাম্পে এই বিরোধের সূত্রপাত হয়। ফাঁকা জমি দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক দল দুটির অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ঘটনার দিন নিয়াজ আহমেদ খানের নেতৃত্বে স্থানীয় জামায়াতের শতাধিক কর্মী-সমর্থক এবং বিহারি সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বে বিএনপির অন্তত দেড়শ কর্মী-সমর্থক এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আক্রান্ত হন।
উভয় পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হকসহ ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তি আহত হন। তাদের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এই সহিংসতার ঘটনায় পরবর্তীতে পল্লবী থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সুনির্দিষ্ট বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় নিয়াজ আহমেদ খান, সুমন, নাসির উদ্দিন খান সজলসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা চালায়। এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়াজকে ইতোমধ্যে আদালতে তোলা হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে (জেলহাজতে) পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
সংঘর্ষে জড়িত অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের গ্রেফতারে পল্লবী থানা পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য ইউনিট অভিযান অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।








