পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে ৩ কোটি ৭ লাখ ডলার ঋণ দিল আইএফসি
দেশের ওষুধ খাতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে তিন কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। গতকাল বুধবার বাংলাদেশে এই অর্থায়ন করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দেশের ওষুধ খাতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং এ খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে তিন কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার সিনিয়র সিকিউরড ঋণ প্রদান করেছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশে এই ঋণ দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ওষুধ খাতে কাঁচামাল বা এপিআইর ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভরতা অত্যন্ত বেশি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ওষুধ খাতের এপিআইর ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভরতা প্রায় ৯০ শতাংশ। এই ঋণ সহায়তার মাধ্যমে ওষুধ খাতের এই উচ্চমাত্রার আমদানিনির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে সহায়তা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনায় পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৮১৫টির বেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করে আসছে। এই বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে তারা দেশের চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ খাতে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে।
আইএফসির কাছ থেকে পাওয়া এই নতুন ঋণ ও সহায়তার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের ড. মোস্তাফিজুর রহমান এই অংশীদারিত্বের বিষয়ে বলেন, 'আইএফসির সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর একটি হওয়ার লক্ষ্যে আমাদের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।'
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আইএফসির এই অর্থায়ন পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের উৎপাদন সক্ষমতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে দেশের বাজারে মানসম্মত ওষুধের সরবরাহ আরও সুদৃঢ় হবে এবং সার্বقিভাবে দেশের ওষুধ শিল্প খাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।








