মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ‘ধানের শীষ’ গ্রামের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ‘ধানের শীষ’ গ্রামটি একসময় ‘পোড়াচর’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭৭ সালে ভূমিহীন মানুষের বসতি স্থাপনের পর নানা ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে গ্রামটির বর্তমান নামকরণ ও জনবসতি গড়ে ওঠে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ‘ধানের শীষ’ গ্রামের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

নোয়াখালী জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুবর্ণচর উপজেলার একটি ব্যতিক্রমী জনপদের নাম ‘ধানের শীষ’ গ্রাম। প্রমত্ত মেঘনা নদীর ভাঙনে ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে পুরনো নোয়াখালী শহর বিলীন হয়ে যাওয়ার পর ১৯৬০-এর দশকের দিকে এই অঞ্চলে একটি নতুন চর জেগে ওঠে। পরবর্তীতে এই নতুন চরে মানুষের বসতি ও জীবনযাত্রা শুরু হয়।

এই অঞ্চলের শুরুর ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, হাতিয়া ও অন্যান্য এলাকার ভূমিহীন মানুষেরা ১৯৭৭ সালের দিকে এই চরে এসে বসবাস শুরু করতে শুরু করে। ওই সময়ে বসতি স্থাপনকারী পরিবারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০। তবে শুরুর দিকে এই জনপদে জীবনযাত্রা এতটা সহজ ছিল না।

বসতি স্থাপনের পরপরই ১৯৭৮ সালের মাঝামা সময়ে পার্শ্ববর্তী চরলক্ষ্মী এলাকার জবরদখলকারীদের একটি হামলার শিকার হয় এই এলাকা। এই হামলার ঘটনার পর একটি আদালত মামলা পরিচালনা করে এবং বিচারে ২১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

ওই ঘটনার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হাতিয়া সফর করেন এবং পোড়াচর সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। রাষ্ট্রপতির সেই সফরের পর জেলা প্রশাসনের জরিপ ও নামকরণের মাধ্যমে এই এলাকার মৌজা এবং পরবর্তী সময়ে গ্রামটির আনুষ্ঠানিক নামকরণ করা হয় ‘ধানের শীষ’ গ্রাম।

বর্তমানে এই ‘ধানের শীষ’ গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৩৫,০০০ এবং এখানকার ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩,২০০ জন। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এই গ্রামটিতে এখন মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে মাহমুদুর রহমান ওরফে নিশান বলেন, ‘অন্য এলাকায় নিয়মিত নানা ঝামেলা লেগে থাকলেও এই গ্রামের মানুষ শান্তিপূর্ণ। এখানে সবার সহাবস্থান রয়েছে।’ গ্রামের সার্বিক জীবনযাত্রার সাথে এখন শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমও যুক্ত হয়েছে।

গ্রামের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যা ১৯৯১ সালে একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ২৩0 জন। এছাড়া এই গ্রামে ১২টি মৎস্য খামার এবং ৮টি গবাদি পশু বা পোলট্রি খামার রয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। প্রথম আলো-র তথ্যানুযায়ী এই জনপদের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থার এসব তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে চলছে সিরামিকশিল্পী মো. আনিসুল হকের তৃতীয় একক প্রদর্শনী। আজ ২২ সেপ্টেম্বর এই প্রদর্শনীর শেষ দিন।

১ মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস
জীবনযাপন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।

১ মিনিট পড়া
লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ
জীবনযাপন

লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ

১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।

১ মিনিট পড়া
বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী

বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER