নাটরে রেললাইনের পাত ভেঙে রাজশাহীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রেললাইনের পাত ভেঙে যাওয়ায় রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে জরুরি মেরামত শেষে সকাল সাড়ে আটটা থেকে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এতে বিভিন্ন স্টেশনে অন্তত ছয়টি ট্রেন আটকে পড়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ৩:১৬· ১ মিনিট পড়া

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লোকমানপুর স্টেশনসংলগ্ন ২২৭ নম্বর রেল পিলার এলাকায় রেললাইনের পাত ভেঙে যায়। এর ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে এবং উভয় দিকের বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন আটকে যায়।
ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলার লোকমানপুর স্টেশনসংলগ্ন ২২৭/০ নম্বর রেল পিলারের কাছে রেললাইন ভাঙা দেখতে পান কর্তব্যরত রেলকর্মীরা। এ বিষয়ে মোস্তাক আহমেদ জানান, রেললাইনের ভাঙা অংশ শনাক্তের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় এবং দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করা হয়।
আব্দুলপুর রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মাসুদ রানা জানান, সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে রেললাইন ভাঙার খবর পাওয়ার পরই ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই আকস্মিক ঘটনার ফলে আব্দুলপুর ও রাজশাহী স্টেশনে অন্তত ছয়টি ট্রেন আটকে পড়ে। আটকে পড়া ট্রেনগুলোর মধ্যে ছিল সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, তিতুমীর এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, কমিউটার ও মধুমতি এক্সপ্রেস।
জরুরি ভিত্তিতে চালানো মেরামতকাজ শেষে প্রায় দুই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে আটটা থেকে ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয় এবং আটকে পড়া ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
মোস্তাক আহমেদ আরও জানান, আপাতত ভাঙা অংশ দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ মেরামত শেষ হলে ট্রেনের গতি স্বাভাবিক করা হবে বলে জানানো হয়।
এদিকে রেলপাত ভাঙার কারণ সম্পর্কে ফরিদ আহমেদ পরিষ্কার করেন যে, কোনো দুষ্কৃতকারীদের কারণে রেলপাত ভাঙেনি। তিনি জানান, পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথের অনেক রেলপাত ৫০ থেকে ৮০ বছর পুরোনো। এসব রেলপাতের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে এমন সমস্যা হচ্ছে।
ফরিদ আহমেদ আরও উল্লেখ করেন যে, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পুরোনো রেলপাত নিয়মিত পরীক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো, সমকাল ও ইত্তেফাক সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।








