নতুন সাইবার সুরক্ষা বিল ও মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে সমালোচনা
বিএনপি সরকারের আমলে পাস হওয়া সাইবার সুরক্ষা বিল এবং গুম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত নতুন খসড়া আইন নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। নতুন এই সরকারের মেয়াদের শুরুতেই আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ 'গুম হইতে সকল ব্যক্তিকে সুরক্ষার নিমিত্ত আন্তর্জাতিক কনভেশন'-এ অনুস্বাক্ষর করেছিল। গুমের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে আন্তর্জাতিক এই কনভেশনে যুক্ত হওয়ার পর দেশের আইনি কাঠামোতে এর প্রভাব নিয়ে নানা মহলের আগ্রহ রয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিলে 'সাইবার সুরক্ষা বিল-২০২৬' জাতীয় সংসদে পাস করা হয়। বিলটি পাস হওয়ার পর থেকেই এর বিভিন্ন দিক নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা দেখা দেয়। সাইবার অপরাধ দমন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য রক্ষা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানামুখী বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল যুগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও এর কার্যকারিতা ও অপপ্রয়োগের আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা।
এদিকে সাইবার সুরক্ষা বিলের পাশাপাশি গুম সংক্রান্ত বিষয় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কিত নতুন খসড়া আইনগুলো নিয়েও সমালোচনা চলছে। মানবাধিকার সুরক্ষায় নিয়োজিত সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটির স্বাধীনতা ও ক্ষমতা কতটুকু সংরক্ষিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে খসড়া আইনগুলোতে মানবাধিকার কমিশনের কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়ে পর্যাপ্ত বিধান রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
আইন প্রণয়নের এই প্রক্রিয়ায় সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা এবং বিরোধী দলগুলোর ভূমিকাও গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইন এবং খসড়া আইনগুলোর চূড়ান্ত রূপ কী দাঁড়াবে, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল রয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও আইনপ্রণেতারা এই সমালোচনাগুলোর বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেন, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।








