মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

দক্ষিণ কোরিয়ার সহকর্মীর সঙ্গে নয় বছরের বন্ধুত্বের স্মৃতি

দক্ষিণ কোরিয়ায় দীর্ঘ নয় বছর কর্মজীবন শেষে দেশে ফিরেছেন এক বাংলাদেশি লেখক। সেখানে প্রথম দিনেই পরিচয় হওয়া সহকর্মী ইয়াং মি রির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের নয় বছর পূর্ণ হয়েছে। নানা স্মৃতি ও আবেগময় কথাবার্তায় এখনও দুই দেশের সীমানা পেরিয়ে টিকে রয়েছে তাদের এই সম্পর্ক।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· মিনিট পড়া

দক্ষিণ কোরিয়ার সহকর্মীর সঙ্গে নয় বছরের বন্ধুত্বের স্মৃতি
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে গিয়ে দীর্ঘ নয় বছর কাটিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশে ফিরেছেন এক বাংলাদেশি লেখক। বর্তমানে তিনি দেশে নিজের ব্যবসা ও পারিবারিক জীবন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তবে সুদূর প্রবাসে কাটানো সেই দিনগুলো এবং সেখানকার মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক আজও তাঁর স্মৃতির পাতায় অম্লান হয়ে আছে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ান সহকর্মী ইয়াং মি রির সঙ্গে তাঁর যে বন্ধুত্বের সূত্রপাত হয়েছিল, তা দুই দেশের ভৌগোলিক দূরত্ব পেরিয়ে এখনও বজায় রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় লেখকের কর্মজীবনের প্রথম দিনটিতেই ইয়াং মি রির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। কর্মক্ষেত্রের প্রথম সেই দিনে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইয়াং মি রি লেখককে বলেছিলেন, "আজ থেকে তুমি আমার বন্ধু। কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলবে। আমরা একসঙ্গে কাজ করব।" সহকর্মীর এমন উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিকতা প্রবাসের মাটিতে লেখকের পথচলাকে সহজ করে দিয়েছিল এবং জন্ম দিয়েছিল এক গভীর বন্ধুত্বের।

দীর্ঘ নয় বছর কোরিয়ায় একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে দুজনের মধ্যে বিশ্বাসের একটি শক্ত ভিত তৈরি হয়। এই দীর্ঘ সময়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানও ঘটেছিল। আড্ডার ছলে ইয়াং মি রি একবার বাংলাদেশের প্রতি নিজের আগ্রহের কথা প্রকাশ করে বলেছিলেন, "আমি একদিন বাংলাদেশে যাব। তোমাদের দেশের সেই বড় মাছ খেয়ে দেখব।" এমন ছোট ছোট প্রাত্যহিক আলাপচারিতা তাদের বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তুলেছিল।

তবে প্রবাস জীবনের পাট চুকিয়ে লেখকের দেশে ফিরে আসার সময়টি উভয়ের জন্যই অত্যন্ত আবেগঘন ছিল। যখন লেখকের দেশে ফেরার সময় ঘনিয়ে আসে, তখন কান্নায় ভেঙে পড়ে ইয়াং মি রি তাঁকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, "তুমি চলে গেলে তোমার শূন্যতা আমি কীভাবে সহ্য করব?" এই বিদায়লগ্নের আকুতি তাদের নয় বছরের সম্পর্কের গভীরতাকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই দুই ভিন্ন দেশের দূরত্ব তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। দেশ ফিরে আসার পরও লেখক ও ইয়াং মি রির মধ্যে মাঝেমধ্যে যোগাযোগ হয়। সুদূর কোরিয়া থেকে ইয়াং মি রি এখনও লেখককে স্মরণ করে বলেন, "আমি তোমাকে সত্যিই খুব মিস করি।"

নয় বছরের এই দীর্ঘ বন্ধুত্বের ইতি টানার কোনো সুযোগ নেই। শত মাইল দূর থেকেও ইয়াং মি রির মন থেকে মুছে যায়নি সেই প্রিয় সহকর্মীর স্মৃতি। বিদায় ও স্মৃতির টানে আজও তাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং ইয়াং মি রির সেই অন্তিম উচ্চারণ যেন দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতু হয়ে আজও প্রতিধ্বনিত হয়—"ভালোবাসি...আবার ফিরে এসো।"

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
নীলফামারীতে মৌসুমের প্রথম কুয়াশা ও শিশিরপাতব্রেকিং
জীবনযাপন

নীলফামারীতে মৌসুমের প্রথম কুয়াশা ও শিশিরপাত

নীলফামারীতে চলতি মৌসুমের প্রথম কুয়াশা ও শিশিরপাত দেখা গেছে। বুধবার ভোরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই আবহাওয়া লক্ষ্য করা যায়।

১ মিনিট পড়া
ইন্সটাগ্রামে কঙ্গনা শর্মার ফলোয়ার তিন মিলিয়ন ছাড়াল
জীবনযাপন

ইন্সটাগ্রামে কঙ্গনা শর্মার ফলোয়ার তিন মিলিয়ন ছাড়াল

জনপ্রিয় ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার কঙ্গনা শর্মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নতুন মাইলফলক অর্জন করেছেন। জনপ্রিয় মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে তার ফলোয়ার সংখ্যা এখন তিন মিলিয়নের বেশি।

১ মিনিট পড়া
৯০ বছর বয়সেও পাবনার বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ
জীবনযাপন

৯০ বছর বয়সেও পাবনার বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ

পাবনা সদরের মাসুম বাজারে ৯০ বছর বয়সেও মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিয়ামত মোল্লা। একটি মাছ কেটে তিনি পান ২০ থেকে ৩০ টাকা। এই আয়ে তাঁর স্ত্রীসহ সংসার ও ওষুধের খরচ চলে।

১ মিনিট পড়া
সৌখিন ইঁদুর তাড়ানোর ব্যর্থ ও হাস্যকর প্রচেষ্টা
জীবনযাপন

সৌখিন ইঁদুর তাড়ানোর ব্যর্থ ও হাস্যকর প্রচেষ্টা

লেখকের ঘরে একটি নেংটি ইঁদুরের উৎপাত শুরু হলে তাকে তাড়াতে নানা আয়োজন করা হয়। চানাচুর, দুধ-কলা ও বিষ কেনার পাশাপাশি লোহার রড ও ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে তাড়া করলেও ইঁদুরটিকে ধরা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি নিজে থেকেই পালিয়ে গেলেও বড় ভাইয়ের টিটকারির মুখে পড়তে হয় লেখকদের।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER