দৌলতদিয়া ঘাটে তীব্র স্রোতে ফেরি বিকল, ভাটিতে ভেসে গেল
তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা রো-রো ফেরি 'হামিদুর রহমান' দৌলতদিয়া ঘাটে ভিড়তে না পেরে মাঝ নদীতে যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে ভাটিতে ভেসে যায়। বর্তমানে ফেরিটি ৭ নম্বর ঘাটের নিচে নোঙর করা আছে এবং উদ্ধারে আইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:১৬· ১ মিনিট পড়া

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে একটি রো-রো ফেরি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন বা বিআইডব্লিউটিসি-র রো-রো ফেরি 'হামিদুর রহমান' এই আকস্মিক পরিস্থিতির মুখে পড়ে।
ঘটনাটির সূত্রপাত হয় সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ১০টার দিকে। এই সময় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিল। যাত্রাপথে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এটি মাঝ নদী পার হয়।
মাঝ নদী পার হওয়ার পরপরই পদ্মার তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে ফেরিটিতে মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। স্রোতের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে নাবিক বা চালকরা ফেরিটির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ব্যর্থ হন এবং এটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাটির দিকে ভেসে যেতে শুরু করে।
ফেরিটিতে এই বিপদের মুহূর্তে বেশ কিছু যানবাহন আটকা পড়েছিল। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই রো-রো ফেরিটিতে বর্তমানে ৮টি যাত্রীবাহী বাস রয়েছে।
বাসের পাশাপাশি ফেরিটিতে অন্যান্য ভারী ও হালকা যানবাহনও আটকা পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি ট্রাক এবং ৩টি প্রাইভেটকার, যেগুলোর যাত্রীরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।
বর্তমানে রো-রো ফেরি 'হামিদুর রহমান' দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের নিচে সুরক্ষিতভাবে নোঙর করা অবস্থায় রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে সচল নয়।
ভাসে যাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আটকে পড়া যানবাহনসহ ফেরিটিকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৎপরতা শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে ফেরিটি উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে একটি আইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।








