দিল্লিতে শনিবার শুরু হচ্ছে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শনিবার ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার তিব্বত থেকে নির্বাসিত বেশ কয়েকজন নাগরিক দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আগামী শনিবার ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই ইভেন্টটিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনে অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত হয়েছেন বা হবেন।
চলতি ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারিখের এই আয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নিচ্ছেন। ব্রিকস জোটের এই বৈঠকে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনায় আসার কথা রয়েছে।
এদিকে শীর্ষ সম্মেলন শুরুর ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত থেকে নির্বাসিত বেশ কয়েকজন নাগরিক ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন। সম্মেলনস্থলের কাছাকাছি বা এর বাইরে এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে।
এই সম্মেলন ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিজেদের মূল্যায়ন তুলে ধরছে। এএফপি এবং আল জাজিরার মতো সংবাদমাধ্যম ছাড়াও অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞরা ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে নানা বিশ্লেষণ দিচ্ছেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ব্রিকস জোটে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর ভূমিকা ও অবস্থান বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে এই দেশগুলোর কূটনৈতিক সমীকরণ আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের পক্ষে ভ্লাদিমির পুতিন, নরেন্দ্র মোদি এবং শি জিনপিংয়ের মতো শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকছেন। বৈশ্বিক নানা সংকট ও মতপার্থক্য দূর করার বিষয়ে এই জোটের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বিশ্লেষকরা।
অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হর্ষ পন্ত ব্রিকস সম্মেলনের মধ্যস্থতা ও ঐকমত্যের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, "আমার ধারণা ভারতের পাশাপাশি রাশিয়া, চীনসহ অন্য দেশগুলো এই দুই পক্ষকে ঐকমত্যের নথিতে রাজি করানোর চেষ্টা করবে। কারণ দিন শেষে এখানে নিজেদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির বিষয় আছে।"








