দক্ষিণ ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কা
দক্ষিণ ইউরোপে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর ঘাঁটিতে সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে সাবমেরিন ফাইবার-অপটিক কেবলের সুরক্ষাও হুমকির মুখে পড়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপীয় অঞ্চলে এই নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আঁচ এবার ইউরোপীয় অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের শঙ্কা অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি সাবমেরিন ফাইবার-অপটিক কেবলের ওপরও বড় ধরনের হুমকি রয়েছে। কৌশলগত এই যোগাযোগ মাধ্যমগুলো লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক বা সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে গত মার্চে সাইপ্রাসের ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই ভূমধ্যবর্তী ও দক্ষিণ ইউরোপীয় অঞ্চলে অবস্থিত মিত্র বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ শুরু হয়।
গত মাসে বুলগেরিয়ার বিজমার বিমানঘাঁটি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের জন্য অনুমোদিত হয়েছিল। কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটিটি মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই অঞ্চলটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলাতে এবং সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার নির্ধারিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ইউরোপের মার্কিন ও ব্রিটিশ সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা ধরনের কূটনৈতিক ও সামরিক কৌশল নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে মার্কিন বিমান বাহিনী এবং ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।








