তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানি বিশেষ দূতের বৈঠক
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানের বিশেষদূত ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে একটি টিকা উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে জাপানের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সোমবার জাপানের মিয়ানমারে জাতীয় সমঝোতার বিষয়সংক্রান্ত বিশেষদূত এবং নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট। এই সংকট সমাধানে টেকসই উপায় এবং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে ইয়োহেই সাসাকাওয়া জানান যে, মিয়ানমারে জাতীয় সমঝোতার বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তিনি কাজ করছেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ইয়োহেই সাসাকাওয়া জানান যে, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার সংকট সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন। তবে রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি হতে সময় লাগছে বলে তিনি বৈঠকে জানান।
আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে একটি টিকা উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার জন্য জাপান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, এই ধরনের উদ্যোগ উভয় দেশের সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান সরকারের মধ্যকার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান, যা ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ও জাপানি বিশেষদূতের এই বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ ইসলাম, শাহাদাৎ স্বাধীন এবং শাকিরুল ইসলাম খান।








