আইসিজেতে রোহিঙ্গা মামলার রায় ২০২৬ সালের অক্টোবরে সম্ভাব্য
রোহিঙ্গা সংকট ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে চলমান গণহত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া আলোচনা করেছে। ২৩তম ওআইসি জরুরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনের সাইডলাইনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলার রায় ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে ঘোষিত হতে পারে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রোহিঙ্গা সংকট এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান গণহত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া। ২৭ আগস্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ২৩তম ওআইসি জরুরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনের সাইডলাইনে এই কূটনৈতিক বৈঠকটি সম্পন্ন হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সংকটের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই সংকটকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার ওপর উভয় দেশই জোর দেয়।
আলোচনাকালে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সুনির্দিষ্ট পথের বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষে হুসেন কবির উল্লেখ করেন যে, রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে এবং এর একটি ব্যাপক ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সময়সীমা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল দাউদা এ জালো বৈঠকে জানান যে, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজেতে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইসিজের এই সম্ভাব্য রায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার জন্য দায়বদ্ধতা নির্ধারণে আইসিজের এই রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত প্রকাশ করেন দাউদা এ জালো।
গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন যে, রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে এই রায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ওআইসি ও জাতিসংঘের কাঠামোর আওতায় এই বিষয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সার্বিকভাবে, ২৩তম ওআইসি জরুরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি রোহিঙ্গা সংকটের বিচার ও স্থায়ী সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার এই যৌথ প্রয়াস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা ইস্যুকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।








