ঢাবি ছাত্রী হলের নিরাপত্তা ও আবাসন নিয়ে প্রশাসন ও ডাকসু বৈঠক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদার এবং অনাবাসিক ছাত্রীদের আবাসন ও বৃত্তি নীতিমালা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডাকসু প্রতিনিধিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। দ্রুতই হলগুলোতে সিকিউরিটি গেট স্থাপন করা হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদার, সিকিউরিটি গেট স্থাপন এবং অনাবাসিক ছাত্রীদের আবাসন ও বৃত্তি নীতিমালা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ডাকসু প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রীদের নিরাপত্তা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে উভয়পক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রী হলগুলোতে দ্রুত সিকিউরিটি গেট স্থাপনের একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা ব্যব્স্থার পাশাপাশি অনাবাসিক ছাত্রীদের আবাসন সমস্যা এবং তাদের জন্য যথাযথ বৃত্তি নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। সাধারণ ও অনাবাসিক ছাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে প্রশাসন ও ডাকসুর যৌথ এই প্রয়াসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-এর সঙ্গে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ডাকসু প্রতিনিধিদের এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডাকসু প্রতিনিধিদের পক্ষে মো. ইকবাল হায়দার ও সাবিকুন্নাহার তামান্না অংশ নেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও প্রত্যাশার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন।
আলোচনাকালে প্রশাসন ও ডাকসু প্রতিনিধিরা ছাত্রী হলের সার্বিক পরিবেশ উন্নত করার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে অনাবাসিক ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের আবাসিক সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছাত্রী হলগুলোতে সিকিউরিটি গেট স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু হবে। এর মাধ্যমে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করা সম্ভব হবে এবং হলের ভেতরের নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডাকসুর এই যৌথ উদ্যোগের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে। প্রশাসন এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








