ডিএমপির ট্রাফিক অভিযানে ২ হাজার ৯ মামলা ও গাড়ি ডাম্পিং
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এই অভিযানে মোট ২ হাজার ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কয়েকশ গাড়ি ডাম্পিং ও রেকার করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বা ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত ২ সেপ্টেম্বর এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং ৩ সেপ্টেম্বর ডিএমপির মিডিয়া শাখা থেকে এই তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন অমান্যকারীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
অভিযান চলাকালে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মকর্তারা রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে কড়া নজরদারি রাখেন। ট্রাফিক আইন ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সারা দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে মোট ২ হাজার ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন জোনে বিভক্ত হয়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা এই মামলাগুলো করেন।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন ট্রাফিক বিভাগে মামলার সংখ্যা ছিল ভিন্ন ভিন্ন। এর মধ্যে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৭১টি এবং ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৩৩টি মামলা হয়েছে।
অভিযানের পরিসংখ্যানে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মোট ৩৭২টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৬৫টি এবং ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩১১টি মামলা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩২১টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৭৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কেবল মামলাই নয়, বরং কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে যানবাহনগুলোর ওপরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অভিযانকালে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় মোট ৪৯৭টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ম ভেঙে রাখা বা চলাচলের কারণে ২৯৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ডিএমপির মিডিয়া শাখা থেকে প্রকাশিত এই তথ্যের মাধ্যমে রাজধানীজুড়ে ট্রাফিক বিভাগের এই বিশেষ কার্যক্রমের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল নিরাপদ করা এবং সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এমন অভিযান ও আইন প্রয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








