ডাকসুর অনার বোর্ডে যুক্ত হলো রাশেদ খাঁনের নাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালা সংস্কারের পর নতুন অনার বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। ১৯২৪-২৫ সেশন থেকে ২০২৫-২৬ সেশন পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি ও জিএসদের নাম সম্বলিত এই বোর্ডে মো. রাশেদ খাঁনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:৪৬· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় একটি নতুন অনার বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সম্প্রতি ডাকসুর সংগ্রহশালা সংস্কারের পর এই অনার বোর্ডটি স্থাপন করা হয়। নতুন এই বোর্ডে ১৯২৪-২৫ সেশন থেকে শুরু করে ২০২৫-২৬ সেশন পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে স্থাপন করা এই অনার বোর্ডে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে জিএস পদের তথ্য স্থান পেয়েছে। ২০১৯ সালের ওই ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক বা জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। নির্বাচনে ডাকসু ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় থাকলেও ভোটাররা তাদের রায়ে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের নির্বাচিত করেছিলেন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে গোলাম রাব্বানী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটে তিনি সর্বোচ্চ এই সমর্থন লাভ করে বিজয়ী হন।
অন্যদিকে, ওই একই নির্বাচনে মো. রাশেদ খাঁন ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তিনি রানার্সআপ বা দ্বিতীয় অবস্থান লাভ করেন।
সাম্প্রতিক সংস্কারের পর তৈরি করা নতুন এই অনার বোর্ডে ২০১৯ সালের নির্বাচনের এই পরিসংখ্যান এবং পদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় হওয়া মো. রাশেদ খাঁনের নাম এই অনার বোর্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক এই ছাত্র সংসদের দীর্ঘ ইতিহাস ও কার্যক্রমে বিভিন্ন সেশনের নির্বাচিত নেতাদের নাম সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্যই মূলত এই সংগ্রহশালা ও অনার বোর্ড সংস্কার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯২৪-২৫ সেশন থেকে ২০২৫-২৬ সেশনের দীর্ঘ সময়ের ডাকসু নেতৃত্বের তথ্য শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন।








