ট্রান্স আটলান্টিক দাসপ্রথার বৈধতা নিয়ে ব্রিটিশ রাজার কাছে জ্যামাইকার আবেদন
ক্ষতিপূরণের দাবির অংশ হিসেবে ট্রান্স আটলান্টিক দাসপ্রথার আইনগত বৈধতা নিয়ে ব্রিটিশ রাজের কাছে আবেদন জানিয়েছে জ্যামাইকা। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশের প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ট্রান্স আটলান্টিক দাসপ্রথার আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ব্রিটিশ রাজার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছে জ্যামাইকা। দাসপ্রথার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের বৃহত্তর প্রচারণার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দাসপ্রথার শিকার বংশধরদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি প্রতিকারের পথে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে একটি জাতিসংঘ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল।
গত মার্চে গৃহীত সেই জাতিসংঘ প্রস্তাবের পর থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আরও জোরালো হয়। মূলত দাসপ্রথার ট্রমা ও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্ষতিপূরমূলক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে চলতি বছরের জুন মাসে ঘানায় মিলিত হন আফ্রিকান ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।
ঘানার সেই বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায়ের একটি সুসংহত রূপরেখা তৈরির ওপর জোর দেয়, যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলে।
এর ধারাবাহিকতায় গত মাসে জাতিসংঘের একটি কমিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে। ওই কমিটি স্পষ্টভাবে জানায় যে, দাসপ্রথার ক্ষতিপূরণ বা ড্যামেজ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
জ্যামাইকার এই বর্তমান আবেদন এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ঐতিহাসিক দাসপ্রথার ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নতুন মাত্রা লাভ করেছে।








