জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তা নিয়ে ড. তিতুমীরের ব্রিফিং
২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জ্বালানি সংকট ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ সময় তিনি এলএনজি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ এবং নতুন নীতিমালার কথা জানান।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি ও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নানা আলোচনার প্রেক্ষাপটে সচিবালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এলএনজি কার্গো সময়মতো না আসার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, নির্ধারিত এলএনজি কার্গোগুলো না আসার পেছনে 'ফোর্স মেজর' বা অনিবার্য পরিস্থিতি কাজ করেছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে এই সংকট কাটিয়ে ওঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান যে, শীতকালে জ্বালানি পরিস্থিতিতে স্বস্তি আসবে এবং গ্রীষ্মকালে পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। দেশবাসীকে জ্বালানি খাতের এই পরিবর্তনের সুফল পেতে কিছুটা সময় অপেক্ষা করার আহ্বান জানান তিনি।
ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে বড় আকারের অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপোলরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রসারে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই খাতের প্রতি সাধারণের আগ্রহ বাড়ছে এবং নেট মিটারিংয়ের আওতায় প্রায় ৩৬ হাজার আবেদন পাওয়া গেছে।
বিদ্যুৎ খাতের অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধে নতুন নীতি গ্রহণের কথা জানিয়ে ড. তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার 'নো পাওয়ার, নো পে' নীতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। এই নীতি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ খাতের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








