জ্বালানি নিরাপত্তা ও সংস্কার নিয়ে ড. তিতুমীরের প্রেস ব্রিফিং
সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ সময় তিনি জ্বালানি খাতের নানা পরিকল্পনা ও কৃষকদের সহায়তার তথ্য জানান।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত বৃহস্পতিবার ঢাকার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সেখানে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারের নানা পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে সাধারণত তিন মাসের জ্বালানি মজুত থাকে বলে উল্লেখ করা হয়।
জ্বালানি খাতের অংশ হিসেবে দেশের সমুদ্রসীমায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য চলতি বছরের নভেম্বরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এই কার্যক্রমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে সম্পৃক্ত রাখা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। পাশাপাশি দেশের কয়লা সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সৌরবিদ্যুৎ প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই খাতের আওতায় ইতোমধ্যে ৩৬ হাজার আবেদন পাওয়া গেছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সামাজিক সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে দেশের ৪১ লাখ মানুষকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে দেশের দারিদ্র্য ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
কৃষক এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহায়তায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। এর অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করে ১২ লাখ কৃষককে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও প্রেস ব্রিফিংয়ে পে সার্ভিস কমিশনসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়গুলো আলোচিত হয়। সার্বिक পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।








