জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে জেনারেল ওসমানীর ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির দাবি
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং তাঁর জীবন ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই সংক্রান্ত নোটিশ গ্রহণ করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জাতীয় সংসদে মহান মুক্তিযুদ্ধের সেনাপ্রধান জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও ইতিহাস জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপিত হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
অধিবেশন চলাকালে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধির ৩০২ বিধির আওতায় একটি বিশেষ নোটিশ উত্থাপন করেন। এই নোটিশের মাধ্যমে তিনি দেশের জন্য জেনারেল ওসমানীর অবিস্মরণীয় অবদান জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান।
উত্থাপিত নোটিশে মো. মনিরুল হক চৌধুরী গভীর ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে জেনারেল ওসমানী সম্পর্কে একটি লাইনও আছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, ইতিহাসের এই মহানায়ক আজ অবহেলার শিকার। আর এই পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি নিজেকে লজ্জিত বলেও মন্তব্য করেন।
সংসদ সদস্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নোটিশটি তাৎক্ষণিকভাবে আমলে নেওয়া হয়েছে। অধিবেশন পরিচালনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং তিনি সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এই নোটিশটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য যে, বর্তমান নিয়মানুযায়ী জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত নয়। ফলে তাঁর স্মৃতি ও অবদান যথাযথ মর্যাদায় জাতীয়ভাবে পালনের দাবি দীর্ঘদিনের।
এই পুরো দাবিটি বাস্তবায়নের পেছনে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদেরও দীর্ঘদিনের নানামুখী তৎপরতা ও ভূমিকা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সংসদের এই উদগতির ফলে জাতীয় বীরদের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পথ আরও সুগম হবে।








