মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিলের নিষ্ক্রিয়তায় বাড়ছে প্রজনন হার

২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পর থেকে জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিলের কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। এর ফলে দেশে মোট প্রজনন হার বেড়ে ২০২৫ সালে প্রতি নারীপ্রতি ২.৪টিতে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৯ সালে ছিল ২.৩।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· মিনিট পড়া

জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিলের নিষ্ক্রিয়তায় বাড়ছে প্রজনন হার
ছবি: বিডিরিভাইস২৪ (AI-চিত্রণ)

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বাংলাদেশে জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় নীতিনির্ধারণী এই গুরুত্বপূর্ণ পর্ষদটি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিল সর্বশেষ সভা করেছিল ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এরপর থেকে আর কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘ এই সময় ধরে কাউন্সিলটির কোনো বৈঠক না হওয়া দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যা নীতির ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত সরকারের সময় জনসংখ্যা নীতির প্রতি উদাসীন দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিনুল হক মন্তব্য করেছেন, "The absence of any council meeting for such a long period also exposes the previous government’s approach to population policy." দীর্ঘকাল কাউন্সিলটির বৈঠক না হওয়াকে তিনি বিগত সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একসময় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে দেশে প্রতি নারীপ্রতি জন্মহার বা মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ছিল ৬.৩ জন, যা দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ২০১২ সালের মধ্যে কমে ২.৩টিতে নেমে আসে। কিন্তু বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং ইউনিসেফের নির্দেশকভিত্তিক ক্লাস্টার সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট প্রজনন হার আবার বেড়ে প্রতি নারীপ্রতি ২.৪টিতে উন্নীত হয়েছে, যা ২০১৯ সালে ছিল ২.৩।

প্রজনন হার বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনাসামগ্রী বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহারেও বড় ধরনের পতন ঘটেছে। ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী বিবাহিত নারীদের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ২০১৯ সালের ৬২.৭ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৫৮.২ শতাংশে নেমে এসেছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমার এই প্রবণতাই মূলত প্রজনন হার বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতীয় স্তরে জনসংখ্যা পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে আমিনুল হক আরও বলেছেন, "Population should have been at the centre of all our national planning and the council’s inactivity indicates that we failed to give population the importance it deserved." অর্থাৎ, জাতীয় পরিকল্পনাগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে জনসংখ্যাকে রাখা উচিত ছিল, কিন্তু কাউন্সিলের নিষ্ক্রিয়তা প্রমাণ করে যে আমরা জনসংখ্যা খাতকে উপযুক্ত গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছি।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা থাকলেও কাউন্সিলের অনুপস্থিতি সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আমিনুল হকের মতে, "The council could have provided such strategic directions, but it was absent." সঠিক সময়ে নীতিনির্ধারণী নির্দেশনা না পাওয়ায় জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় বহুমুখী স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

শুধু ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট বা জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়াই একমাত্র সমস্যা নয়। এ বিষয়ে আরও বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে আমিনুল হক বলেছেন, "The problem was not only the failure to capitalise on the demographic dividend. More broadly, we failed to adopt comprehensive population-centred policies on population management, developing people into productive human resources, and finding ways to capitalise on this potential."

এমন প্রেক্ষাপটে, জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনাকে সঠিক ট্র্যাকে ফেরাতে অন্তর্বর্তী সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধান উপদেষ্টাকে চেয়ারপারসন করে জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিল পুনর্গঠন করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এই পুনর্গঠিত কাউন্সিলের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা নীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
দুপুরের পর ক্লান্তি ও ঘুমভাব দূর করার সহজ কিছু উপায়
স্বাস্থ্য

দুপুরের পর ক্লান্তি ও ঘুমভাব দূর করার সহজ কিছু উপায়

দুপুরের পর ক্লান্তি আসার পেছনে অপর্যাপ্ত ঘুম বা মানসিক চাপ কাজ করতে পারে। খেজুরের মতো পুষ্টিকর খাবার এবং জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তনে এই ক্লান্তি দূর করা সম্ভব।

১ মিনিট পড়া
গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য বজায় রাখার গুরুত্ব
স্বাস্থ্য

গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য বজায় রাখার গুরুত্ব

অন্ত্রে বসবাসকারী ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অণুজীবের সম্মিলিত পরিবেশকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। সম্প্রতি এই অণুজীবের ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

১ মিনিট পড়া
কোমর ব্যথা প্রতিরোধে সঠিক ভঙ্গি ও শরীরচর্চার ভূমিকা
স্বাস্থ্য

কোমর ব্যথা প্রতিরোধে সঠিক ভঙ্গি ও শরীরচর্চার ভূমিকা

কোমর ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা যা দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা কমায় ও মানসিক চাপ বাড়ায়। সঠিক ভঙ্গি এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এই সমস্যা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

১ মিনিট পড়া
গ্রিসে ২২ বছরের সংরক্ষিত ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম
স্বাস্থ্য

গ্রিসে ২২ বছরের সংরক্ষিত ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম

গ্রিসের এথেন্সে ২২ বছর ধরে হিমায়িত করে রাখা ভ্রূণ ব্যবহার করে এক দম্পতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিন দিন আগে নবজাতকটি জন্মগ্রহণ করে। গ্রিসে আইভিএফ চিকিৎসার জন্য নারীদের ক্ষেত্রে ৫৪ বছরের সরকারি বয়সসীমা রয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER