জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতি ফোরামে আইরিন জুবাইদা খানের বক্তব্য
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান। তিনি সমাজে ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের ওপর জোর দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সম্প্রতি 'শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম' অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ ফোরামে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তার অবস্থান তুলে ধরে শান্তির পক্ষে জোরালো বার্তা দেয়।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। তিনি এই উচ্চপর্যায়ের ফোরামে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁর এই বক্তব্যে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। তাঁর এই বক্তব্যে মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও প্রাধান্য পায়।
শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর ভূমিকা ও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাঁদের জীবন ও ভবিষ্যৎ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন।
নারীদের এই বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি নারী নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানান যে, শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারী নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। বাংলাদেশের এই অবস্থান বিশ্ববাসীর সামনে দেশের প্রগতিশীল মানসিকতার পরিচয় বহন করে।
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই ফোরামে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর এসব সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও বক্তব্য টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে আরও সুগম করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত জোরালো ভূমিকা আবারও প্রমাণিত হলো।








