চাঁদপুরে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে চাঁদপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম। বুধবার বিকেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেও তাকে একইভাবে অবাঞ্ছিত করা হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে চাঁদপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। চাঁদপুরে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনাটি নিয়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটির প্রেক্ষাপট তৈরি হয় গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে। ওই দিন বুধবার বিকেলে চাঁদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে প্রধান বক্তা বা বিশেষ কোনো দায়িত্বে থাকা চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশের এক পর্যায়ে চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে চাঁদপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। এ সময় সেখানে বিএনপি এবং এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) শীর্ষ এই নেতার বিরুদ্ধে এর আগেও স্থানীয় পর্যায়ে এমন কর্মসূচি বা ঘোষণা এসেছে। তথ্য প্রমাণে দেখা যায়, এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেও চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে একইভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছিলেন।
উল্লেখ্য, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দল। এছাড়া ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম।
চাঁদপুরের রাজনীতিতে এই অবাঞ্ছিত ঘোষণার মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর শক্ত অবস্থানের বিষয়টি আবারও সামনে চলে এসেছে। ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখের ওই সমাবেশে দেওয়া এই ঘোষণা এবং এর পূর্বাপর ঘটনাগুলো চাঁদপুর জেলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে।








