চসিকের বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম: ১৭, ১৮ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে মশা নিধন
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে ১৭, ১৮ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশা নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। কার্যক্রমে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস ও ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরের ১৭, ১৮ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে বিশেষ মশা নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়েছে। গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামে এই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এই উদ্যোগ নেয়।
এই বিশেষ মশা নিধন কার্যক্রমের আওতায় নগরের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলগুলো চিহ্নিত করা হয়। এরপর সেগুলো ধ্বংস করা এবং নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি বিশেষ ওষুধ প্রয়োগের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে চসিকের নেওয়া এই পদক্ষেপের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে। এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে চসিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে কেবল সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে নগরবাসীর অংশগ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আরও বলেছেন, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
মশার প্রজনন রোধে সাধারণ নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ বিষয়ে উল্লেখ করেন যে, বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেкаংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।








