ঘোষণা হলো বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার
স্থপতিদের জন্য বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচারের ১২তম আসর আয়োজিত হতে যাচ্ছে। বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ যৌথভাবে এই আয়োজন করছে। গত শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইএবি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

স্থপতিদের কাজের স্বীকৃতি ও উৎসাহ দিতে দেশের স্থাপত্য অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচারের ১২তম আসর বা ২০২৬ সালের আসর আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনটি যৌথভাবে সম্পন্ন করছে শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ এবং পেশাজীবীদের জাতীয় সংগঠন ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ বা আইএবি।
গত শনিবার রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইএবি সেন্টারে আয়োজিত এক ঘটাঘন সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, যাদের মধ্যে মৌসুমী আহমেদ, আবু সাঈদ এম আহমেদ, মহসিন হাবিব চৌধুরী, নওয়াজীশ মাহবুব এবং মাহফুজুল হক জগলুল অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এবারের অর্থাৎ দ্বাদশ আসরে মোট ৭টি প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হবে। দেশের স্থাপত্যশিল্পের উৎকর্ষ সাধনে অনন্য অবদান রাখা এসব বিজয়ী প্রকল্পের প্রতিটি আকর্ষণীয় অর্থমূল্য হিসেবে ২ লাখ টাকা করে পুরস্কার অর্জন করবে।
প্রধান এই পুরস্কারগুলোর পাশাপাশি আসরে বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো তাদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫০ হাজার টাকা করে অর্থসম্মাননা লাভ করবে।
আগ্রহী স্থপতিদের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, এই আসরে মনোনয়ন জমার শেষ তারিখ হলো আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর।
মনোনয়ন পর্ব শেষে প্রতিযোগীদের জন্য চূড়ান্ত পর্বের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রকল্প জমার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৯ অক্টোবর।








