গেন্ডারিয়ায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদক নিয়ে বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:০১· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদক নিয়ে বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এইviolent ঘটনায় নারীসহ মোট তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আকস্মিক এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, এই আকস্মিক ও সহিংস হামলায় যারা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। আহতরা হলেন ৩৩ বছর বয়সী চা-দোকানি আলমগীর, ১৮ বছর বয়সী পথচারী সিয়াম এবং ২০ বছর বয়সী তরুণী আশা আক্তার। নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কিংবা রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় তারা এই আকস্মিক হামলার শিকার হন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মাদক নিয়ে বিরোধ ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। হামলাকারীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে সাধারণ পথচারী ও ব্যবসায়ীরা সরাসরি আহত হন, যা জননিরাপত্তার বর্তমান অবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। অপরাধীদের এমন বেপরোয়া আচরণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও ভীতি কাজ করছে।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থل থেকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য তাদের দ্রুত রাজধানী ঢাকার অন্যতম প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর আহতদের নিবিড় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। চিকিৎসাধীন এই তিন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনার খবর পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থানীয় ইউনিট তথা গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়েছে। গুলিবর্ষণের এই ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্তকরণ এবং তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানীর মতো জনবহুল এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধ ও আধিপত্যের জেরে এমন প্রকাশ্য গুলিবর্ষণের ঘটনা জনমনে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সাধারণ নাগরিকরা এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হয়।








