গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পথে যুক্তরাষ্ট্রের ড্যারিল পার্কার
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার নর্থ অগাস্টার সাবেক অগ্নিনির্বাপণকর্মী ড্যারিল পার্কার দুই হাজারের বেশি জোড়া মোজা সংগ্রহ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার পথে রয়েছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সমাজে আনন্দ ছড়ানোর পাশাপাশি সংগৃহীত মোজা আশ্রয়হীন মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার নর্থ অগাস্টা থেকে একটি অনন্য উদ্যোগের খবর পাওয়া গেছে। সাবেক অগ্নিনির্বাপণকর্মী ও প্যারামেডিক ড্যারিল পার্কার মোজা সংগ্রহ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন। তাঁর এই ব্যতিক্রমী অর্জন ও উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই ক্যাটাগরিতে রেকর্ড নিজের দখলে রেখেছেন ফিলাডেলফিয়ার অবসরপ্রাপ্ত সংবাদ পাঠক জিম ডনোভান। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে ১ হাজার ৫৩১ জোড়া মোজা। তবে জিম ডনোভানের এই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ড্যারিল পার্কার, যাঁর সংগ্রহে বর্তমানে দুই হাজারের বেশি জোড়া মোজা রয়েছে।
পেশাগত জীবনে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকা ড্যারিল পার্কার কেবল একটি রেকর্ড গড়ার জন্যই এই কাজ করছেন না। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের পেছনে রয়েছে এক মানবিক প্রেরণা। ডব্লিউআরডিডব্লিউ নিউজ ১২-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু রেকর্ড গড়াই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য নয়; বরং এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সমাজে আনন্দ ও খুশির জোগান দিতে চান।
ড্যারিল পার্কারের এই সংগৃহীত মোজাগুলোর ভবিষ্যৎ গন্তব্যও অত্যন্ত পরিষ্কার। রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন সংগৃহীত প্রতিটি মোজাই দিন শেষে পৌঁছে দেওয়া হবে আশ্রয়হীন মানুষের কাছে।
একজন সাবেক অগ্নিনির্বাপণকর্মী ও প্যারামেডিক হিসেবে ড্যারিল পার্কার সার생িক জীবন মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও তাঁর সেই জনকল্যাণমূলক মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়নি। মোজা সংগ্রহের এই অভিনব রেকর্ডের মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন বিশ্বমঞ্চে নিজের নাম তুলতে চলেছেন, অন্যদিকে তেমনি শীত বা বিপদের দিনে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সহায়তা করছেন।
সব মিলিয়ে, ড্যারিল পার্কারের এই উদ্যোগ কেবল একটি ব্যক্তিগত অর্জনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একাধারে একটি বিশ্বরেকর্ড ভাঙার প্রচেষ্টা এবং অন্যদিকে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও আশ্রয়হীন মানুষের প্রতি গভীর মানবিক দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নর্থ অগাস্টার এই বাসিন্দার সাফল্যের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে সবাই।








