গাজীপুর সাফারি পার্কে কোয়ারেন্টিন শেডেই কাটছে লেপার্ডশাবকদের জীবন
গাজীপুর সাফারি পার্কে দুটি লেপার্ডশাবককে শুরুতে তিন সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু উপযোগী আবাসন না থাকায় প্রায় ৯ বছর ধরে তাদের জীবন কোয়ারেন্টিন শেডেই বন্দী রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে তৈরি গাজীপুর সাফারি পার্কে এক অস্বাভাবিক ও দীর্ঘমেয়াদী বন্দিদশার চিত্র সামনে এসেছে। পার্কের ভেতরে দুটি লেপার্ডশাবককে তাদের জীবনের একটি দীর্ঘ সময় কাটাতে হচ্ছে অত্যন্ত সীমাবদ্ধ পরিসরে।
ঘটনার শুরুতে নিয়মমাফিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওই দুটি লেপার্ডশাবককে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই কোয়ারেন্টিন বা পৃথকবাসের নির্ধারিত মেয়াদ ছিল মাত্র তিন সপ্তাহ।
তবে নির্ধারিত সেই তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এই বন্যপ্রাণী দুটির বন্দিদশার আর অবসান হয়নি। পার্কটিতে লেপার্ডগুলোর জন্য উপযোগী কোনো আবাসন বা পশমশালা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত আবাসনের চরম সংকটের কারণেই মূলত এই জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে নির্ধারিত কোয়ারেন্টিন শেডটিই শেষ পর্যন্ত তাদের স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, উপযুক্ত বাসস্থানের অভাবে প্রায় ৯ বছর ধরে ওই কোয়ারেন্টিন শেডের ভেতরেই বন্দী জীবন কাটাচ্ছে লেপার্ডশাবক দুটি। দীর্ঘ এই সময়ে তাদের শেডের বাইরে উন্মুক্ত বা প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখার মতো কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এমন দীর্ঘমেয়াদী কোয়ারেন্টিন শেড বন্দিদশা প্রাণীগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পার্ক কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধানের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।








