গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ভারতের বক্তব্য
নয়াদিল্লিতে এক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টনসহ সব সমস্যা আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) ব্যবস্থা রয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের করা চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আজ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন এবং বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক নিয়ে কথা বলেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ব্রিফিংয়ে দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টনসহ পানিসংক্রান্ত সব সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য আমাদের যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পানিসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকগুলো আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এই চুক্তি নবায়ন এবং দুই দেশের মধ্যকার পানিসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যৌথ নদী কমিশনের কার্যকারিতার ওপর জোর দেওয়া হলো।
ব্রিফিংয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, আমরাও এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কিছু প্রতিবেদন দেখেছি, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, অবশ্যই ভারত তার স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরেও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারতের সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের করা শতাধিক সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই চুক্তি নবায়ন এবং দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের সংসদীয় উভয় পক্ষ থেকেই এই বিষয়গুলো এখন জোরালোভাবে সামনে আসছে।
সামগ্রिकভাবে নয়াদিল্লির এই ব্রিফিং এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কারিগরি বৈঠক ও যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে পানিসংক্রান্ত আলোচনার ধারা অব্যাহত রাখার ওপর দুই পক্ষই গুরুত্বারোপ করছে।








