সুইজারল্যান্ডে কঠোর অভিবাসন ও আশ্রয়নীতি পাসের প্রস্তাব
সুইজারল্যান্ডের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস সম্প্রতি কড়াকড়ি আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থার পক্ষে ভোট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিল এবং আফগান নারীদের আশ্রয়ের নিয়ম পরিবর্তনের প্রস্তাব। তবে এসব প্রস্তাব নিয়ে এবার সিনেট বিবেচনা করবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সুইজারল্যান্ডের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস কড়াকড়ি আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থার পক্ষে ভোট দিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, সম্প্রতি এই নিম্নকক্ষে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে এই ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়। দেশটির সংবাদমাধ্যম সুইসইনফো এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আলোচিত এই অধিবেশνে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এমন একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, যেখানে সরকারকে বেকার সীমান্তকর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ-এর নিয়ম পরিবর্তনের বিরোধিতার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এর পাশাপাশি আরও একটি কঠোর প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত দ্বৈত নাগরিকদের সুইস নাগরিকত্ব বাতিল করার এবং তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার কথা বলা হয়েছে। অপরাধ দমনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কঠোর বলে বিবেচিত হচ্ছে।
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস থেকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সেটি হলো আফগান নারীদের আশ্রয় আবেদনের প্রথা পরিবর্তন করে তাদের শুধুমাত্র অস্থায়ী বা প্রভিশনাল অ্যাডমিশন স্ট্যাটাস দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে নিম্নকক্ষ।
এছাড়াও, যেসব দেশের উৎপত্তি বা মূল দেশ অভিবাসী গ্রহণে অসহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক বা টার্গেটেড নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তনের জন্য আইনগত পরিবর্তনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্য। এই ধরনের দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে যে নয়টি প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক ও ভোটাভুটি হয়েছে, তার সবগুলোই এর আগে ফেডারেল সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাখ্যান করেছিল। সরকারের বিরোধিতাকে উপেক্ষা করেই আইনপ্রণেতারা এই কঠোর পদক্ষেপগুলোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
নিম্নকক্ষ বা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস কর্তৃক অনুমোদিত ও গৃহীত এই সমস্ত মোশন বা প্রস্তাবগুলো এবার দেশটির উচ্চকক্ষ তথা সিনেটে বিবেচনা করা হবে। সিনেটের অনুমোদনের ওপরই নির্ভর করবে এই কঠোর পদক্ষেপগুলোর চূড়ান্ত বাস্তবায়ন।








