খালিদ শেখ মোহাম্মদের এফবিআই স্বীকারোক্তি inadmissible ঘোষণা
সিআইএ-র নির্যাতনের কারণে নাইন-ইলেভেনের মূল হোতা খালিদ শেখ মোহাম্মদের ২০০৭ সালের এফবিআই স্বীকারোক্তি বাতিল করেছেন এক মার্কিন সামরিক বিচারক। শুক্রবার (১৮ আগস্ট ২০২৩) গুয়ানতানাামো বেতে এই আদেশ দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের এক সামরিক বিচারক নাইন-ইলেভেনের মূল হোতা খালিদ শেখ মোহাম্মদের ২০০৭ সালে এফবিআই এজেন্টদের কাছে দেওয়া একটি স্বীকারোক্তি বাতিল বা দমন করেছেন। গুয়ানতানাামো বে, কিউবায় গত শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০২৩ তারিখে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি রুলিংটি দেওয়া হয়।
আদালতের নথিপত্র ও তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে খালিদ শেখ মোহাম্মদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতারের পর তাকে সিআইএ-র গোপন আটক কেন্দ্রে রাখা হয়। সেখানে ওয়াটারবোর্ডিংসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি।
মামলার বিচারক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল শ্রামা তার রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, সিআইএ কর্তৃক চালানো এই নির্যাতন সরাসরি প্রভাব ফেলেছিল। এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়েছে যে খালিদ পরবর্তীতে এফবিআইয়ের কাছে যে স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন, তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছিল কি না।
আদালতের এই রায়ের পর প্রসিকিউটর রেয়ার অ্যাডমিরাল অ্যারন সি রুগ জানিয়েছেন যে, সরকার অদূর ভবিষ্যতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ভূমিকা রয়েছে।
এদিকে, এই পুরো আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিবিএস নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত এফবিআই এজেন্ট ফ্রাঙ্ক পেলেগ্রিনো তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন খালিদ শেখ মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় ও স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই ওই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন।
নাইন-ইলেভেনের মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলার সঙ্গে জড়িত এই মূল আসামির স্বীকারোক্তি বাতিল হওয়ার ফলে বিচার প্রক্রিয়া একটি নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন সামরিক আদালতের এই রায়ের আইনি প্রভাব কী হবে, তা আগামী দিনে প্রসিকিউশনের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।








