কুষ্টিয়ায় বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর অস্বাভাবিক আচরণের ভিডিও ভাইরাল
কুষ্টিয়ায় বিড়ালের আঁচড়ের শিকার এক শিশুর অস্বাভাবিক আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২২ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুটিকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে এবং তার মধ্যে জলাতঙ্কের কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২২ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি শিশুর অস্বাভাবিক আচরণ এবং বিড়ালের মতো শব্দ করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনাটি কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইত্তেফাক ডিজিটাল সূত্রে প্রাপ্ত তথ ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে সংঘটিত এই ঘটনায় জানা গেছে যে, আক্রান্ত শিশুটির নাম মুস্তারীন আদ্রিতা। শিশুটির পরিবার একটি বিড়াল পুষত এবং প্রায় ৬ মাস আগে সেই বিড়ালটি তাকে আঁচড় দেয়। এই ঘটনার দীর্ঘ সময় পর তার অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যায়।
পরিবারের পক্ষ থেকে গত ১৭ আগস্ট মুস্তারীন আদ্রিতাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করেন এবং নিয়ম অনুযায়ী জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করেন।
এই বিষয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইকবাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হলে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে তার মধ্যে জলাতঙ্কের কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি।
ডা. ইকবাল হোসেন আরও স্পষ্ট করে জানান, এসব আচরণ যে জলাতঙ্কের কারণে হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভয়, আতঙ্ক বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকেও শিশুর মধ্যে এ ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বক্তব্যে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে যে, আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো কারণ এখনো পাওয়া যায়নি।
এই পুরো ঘটনাটিতে হেলাল মজুমদার ও সাব্বির নামক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা বা তথ্যের উপস্থিতির কথাও জানা গেছে। বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে চিকিৎসা চলছে।








