কানাডায় বাড়ছে মার্কিন পণ্য বর্জন, ঝুঁকছে স্থানীয় পণ্যের দিকে
কানাডায় মার্কিন পণ্য বর্জন করে স্থানীয় কানাডীয় পণ্য কেনার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। গত ২১ আগস্ট দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কানাডায় মার্কিন পণ্য বর্জন করে কানাডীয় পণ্য কেনার প্রবণতা বাড়ছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। মূলত গত ২১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর শুল্ক ও পাল্টা শুল্ক আরোপের জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কানাডার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় পণ্যের প্রচার ও ব্যবহার বাড়িয়েছে। কানাডার সবচেয়ে বড় খাদ্যপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান লব্লও গত আগস্ট মাসে তাদের ফল ও তাজা খাবারের বিভাগে বড় আকারের কানাডীয় পতাকার চিহ্ন পুনরায় ব্যবহার শুরু করেছে।
গ্রোসার্স বা খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্রে জানা গেছে, ক্রেতাদের আচরণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ভিন্সেস মার্কেটের জিয়ানকার্লো ত্রিমার্কি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জানিয়েছেন, আগে ক্রেতাদের কাছে মূল বিষয় ছিল পণ্যের মান ও দাম। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি বিষয়—পণ্যটি কোন দেশের।
স্থানীয় পণ্যের প্রতি এই ঝোঁকের বাস্তব প্রমাণ মিলছে বাজারে। গ্রেটার টরন্টো এলাকায় ভিন্সেস মার্কেটের চারটি দোকানে বিক্রি হওয়া সবজির প্রায় ৯০ শতাংশই এখন কানাডায় উৎপাদিত হচ্ছে।
সরকারি পরিসংখ্যানও এই পরিবর্তনের সাক্ষ্য দিচ্ছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে কানাডার সবজি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ছিল ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। অথচ ২০২৩ সালের জুলাইয়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে, এই হার ছিল প্রায় ৬৯ শতাংশ।
বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বাণিজ্য উত্তেজনার জেরে কানাডার বাজারে মার্কিন পণ্যের হিস্যা কমে আসছে এবং ক্রেতারা সচেতনভাবে কানাডীয় পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। গ্যারি স্যান্ডস ও জন আমবার্ডের মতো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন, যা কানাডার সামগ্রিক খুচরা বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।








