কলকাতায় হোট็লে অগ্নিকাণ্ডে সাতক্ষীরার দুজনসহ নিহত ৯
ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতক্ষীরার দুই বাসিন্দাসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন জানিয়েছে, ওই হোটেলটিতে ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছিলেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতক্ষীরার দুই বাসিন্দাসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরবর্তী সময়ে বুধবার রাতে এই হতাহতের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়। এই ঘটনায় দুই বাংলার পাশাপাশি নিহতদের নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার দুই বাসিন্দা রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম মো. আলিমুজ্জামান সাজু (বয়স ৪৫ বছর)। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন। এছাড়া তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। এই অগ্নিকাণ্ডে নিহত অপর বাংলাদেশি হলেন রেবতী সরকার।
দুর্ঘটনার শিকার ওই হোটেলটিতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বহু নাগরিক অবস্থান করছিলেন। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলটিতে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছিলেন। আকস্মিক এই ভয়াবহ আগুনে পুড়ে তাদের মধ্য থেকে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।
উপহাইকমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে মোট ৯ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সব নিহতের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় বা বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর রাখছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
এদিকে কলকাতার ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কূটনৈতিক মিশনগুলো হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।








