এয়ার ইন্ডিয়ার সব পাইলটের জন্য বাধ্যতামূলক ড্রাগ টেস্ট চালু
ফুকেট থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের মূত্র পরীক্ষায় গাঁজা সেবনের প্রমাণ মেলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে বিমানটি হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ায় বহু যাত্রী আহত হন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দিল্লি, ভারত: ফুকেট থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের মূত্র পরীক্ষায় গাঁজা বা মারিজুয়ানা সেবনের প্রমাণ মিলেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পরই ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সব পাইলটের জন্য ড্রাগ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল যখন এয়ারবাস এ-৩২০নিও বিমানটি হঠাৎ করেই ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। বিমানটির এই আকস্মিক ও অস্বাভাবিক পতনের ফলে বহু যাত্রী আহত হন। এই বড় ধরনের নিরাপত্তা বিপত্তির পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে ফুকেট থেকে দিল্লিগামী ওই ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের মূত্র পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতেই তার শরীরে গাঁজা বা মারিজুয়ানা সেবনের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়, যা বিমান চালনার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল পেশায় চরম নিরাপত্তার বরখেলাপ।
পাইলটের মাদক সেবনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে এয়ার ইন্ডিয়া ও তাদের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কড়া পদক্ষেপ হিসেবে সংস্থাটি তাদের কর্মরত সব পাইলটের জন্য ড্রাগ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে।
নির্ধারিত এই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষার প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যবعস্থার অধীনে এখন পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি পাইলটের ড্রাগ টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ধরনের ড্রাগ টেস্টের ফলাফল পেতে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এয়ার ইন্ডিয়ার এই পদক্ষেপে উড়োজাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








