একাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত ভর্তি ফলাফল প্রকাশিত
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত ভর্তি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার রাতে প্রকাশিত এই ফলাফলে প্রথম ধাপে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার থেকে শুরু হবে কলেজভিত্তিক ভর্তি কার্যক্রম।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত ভর্তি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে আটটার দিকে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ফলাফল প্রকাশ করল বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
শিক্ষার্থীরা এখন খুব সহজেই দুটি মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারছেন। কেন্দ্রীয় পোর্টাল (https://xiclassadmission.gov.bd/) ভিজিট করে অথবা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএস-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল যাচাই করতে পারছেন। প্রথম ধাপে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়াটি গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে বিভিন্ন কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী। তবে পছন্দের তালিকায় পর্যাপ্ত কলেজের নাম না থাকায় প্রথম ধাপে ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজেই মনোনীত হতে পারেননি।
প্রথম ধাপে বঞ্চিত এই শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের মধ্যে আশঙ্কার খবরও রয়েছে। পর্যাপ্ত পছন্দ না দেওয়ায় বঞ্চিত এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ২০৫ জন জি পি এ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। যারা পছন্দতালিকা সঠিকভাবে দিতে না পারায় প্রথম ধাপে কোনো কলেজ পাননি।
অন্যদিকে, দেশের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় না থাকায় দেশের ১১টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী আবেদনই করেননি। এর বাইরেও আরও চার শতাধিক কলেজে প্রথম ধাপে একজন শিক্ষার্থীকেও মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফলাফল প্রকাশের পর এবার ভর্তির পরবর্তী ধাপ শুরু হতে যাচ্ছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজগুলোতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে এই শারীরিক ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে, যা চলবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।








