একাদশ শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটার নতুন নির্দেশনা জারি
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটায় আবেদনের নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এই নির্দেশনা জারি করে। নতুন নিয়মে কোটা পাওয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৬· ১ মিনিট পড়া

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমে মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং শিক্ষা কোটায় (ইকিউ-১ ও ইকিউ-২) আবেদনের জন্য নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এই সংক্রান্ত নির্দেশনা আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করে।
জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে অত্যন্ত কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে। এই নিয়মে বলা হয়েছে, কোটা সুবিধা পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে হবে।
একই নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি কিংবা নাতনিরা এই বিশেষ মুক্তিযোদ্ধা কোটার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। ফলে কেবল সন্তানেরাই এই কোটার আওতায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
অন্যদিকে, শিক্ষা কোটার প্রথম ক্যাটাগরি বা ইকিউ-১ এর ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই কোটার সুবিধা পেতে হলে শিক্ষার্থীকে সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীর সন্তান হতে হবে।
শিক্ষা কোটার দ্বিতীয় ক্যাটাগরি বা ইকিউ-২ এর ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এই কোটায় আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মোট ২৮টি দপ্তর বা সংস্থার আওতাধীন এলাকায় কর্মরত থাকতে হবে।
এছাড়াও ইকিউ-২ কোটার অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অফিসে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরাও এই কোটার জন্য বিবেচিত হবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এই নির্দেশনার মাধ্যমে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের কোটাভিত্তিক আবেদনের প্রক্রিয়া আরও সুনির্দিষ্ট করা হলো।








