একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর
চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি এবং পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি এবং পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার আওতায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামী ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষার্থীরা এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে তাদের পছন্দক্রম অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
এদিকে পুনর্নিরীক্ষণের ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন ও পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, পুনর্নিরীক্ষণে কেউ যদি ফেল থেকে পাস করে, সেদিক বিবেচনায় দুইদিন আবেদনের সুযোগ রেখেছি। তারা একই নিয়মে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। তাদের আবেদন নেওয়ার পর একাদশে ভর্তিতে কে, কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। এতে ভয় বা উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। আগ্রহী সবাই ভর্তির সুযোগ পাবে।
সব প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। পরবর্তীতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।
নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। পরিশেষে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।
উল্লেখ্য, একাদশ শ্রেণির এই ভর্তি প্রক্রিয়ায় মোট ৭ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে এবং বাকি ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। সংরক্ষিত ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং বাকি ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।








