এআই দিয়ে আশির দশকের ছবি তৈরির ট্রেন্ড ও নিরাপত্তার ঝুঁকি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই টুল ব্যবহার করে আশির দশকের নস্টালজিক ছবি তৈরির প্রবণতা বাড়ছে। তবে ব্যক্তিগত ছবি আপলোড করার ফলে গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৭· ১ মিনিট পড়া

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেনারেটিভ এআই টুল ব্যবহার করে আশির দশকের নস্টালজিক ছবি তৈরির প্রবণতা ব্যাপকহারে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের ব্যবহারকারীরা নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে এই ধরনের ছবি তৈরি করছেন এবং তা অনলাইনে শেয়ার করছেন।
তবে এই জনপ্রিয় ট্রেন্ডের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে বড় ধরনের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা নিরাপত্তার ঝুঁকি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষ না বুঝেই নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি বিভিন্ন এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে দিচ্ছেন, যা তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্ল্যাটফর্মে নিজের ছবি আপলোড করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অজান্তেই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকিতে ফেলছেন। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য, পারিপার্শ্বিক পটভূমির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ এবং বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য, যা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে সংরক্ষিত হতে পারে।
এই ধরনের সংবেদনশীল তথ্য ও ছবি যেকোনো সময় অপব্যবহারের শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের ফেসিয়াল বা মুখের ডেটা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অন্যান্য উপাদান সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
শুধু ডেটা ফাঁসের ঝুঁকিই নয়, এর বাস্তব ও ক্ষতিকর পরিণতিও ইতিমধ্যে দেখা গেছে। বাংলাদেশে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া বা বিকৃত ছবি তৈরি করে তা দিয়ে মানুষ হয়রানি এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধের ঘটনাও ঘটেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এমতাবস্থায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের ট্রেন্ডে অংশ নেওয়ার আগে সাধারণ নাগরিকদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যক্তিগত ছবি ও সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষায় এআই টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।








