উান্ডার তোরো kral oyo-র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব
উান্ডার তোরো কিংডমের রাজা ওও নিম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যেই রাজপরিবার ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

উান্ডার ঐতিহাসিক তোরো কিংডমের রাজা ওও নিম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থ গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সার চিকিৎসার সময় মৃত্যুবরণ করেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার মরদেহ দেশে আনার পর শনিবার ফোর্ট পোর্টাল এলাকায় তাকে দাফন করা হয়। এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটিতে নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
<প্রাসঙ্গিক অংশ>রাজা ওও এর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান চলাকালেই তোরো কিংডমের উত্তরাধিকার নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব প্রকাশ পায়। বাবিটো রাজবংশের প্রবীণ ব্যক্তিরা যুবরাজ এডওয়ার্ড রুকিদি কিজানাঙ্গোমাকে পরবর্তী রাজা হিসেবে ঘোষণা করেন। কিন্তু রাজপরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘোষণাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়।
প্রয়াত রাজা ওও-র পরিবার যুবরাজ এডওয়ার্ড রুকিদি কিজানাঙ্গোমার নাম অস্বীকার করে। প্রয়াত রাজার বোন প্রিন্সেস রুথ কোমুন্তালে গণমাধ্যম ও উপস্থিত লোকজনকে জানান যে, রাজা মৃত্যুর আগে একটি উইল রেখে গেছেন। ওই উইলে তার কনিষ্ঠ পুত্রকে তার উত্তরাধিকারী ও পরবর্তী রাজা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
উত্তরাধিকার নিয়ে এই প্রকাশ্য বিরোধ ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় ও সামাজিক নেতারা শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। উান্ডার চার্চের প্রধান স্টিভেন কাজিম্বা মুগালু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে শোকের মুহূর্তে বক্তব্য রাখেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, শোকের সময় উচ্চারিত কথাগুলো বেদনা, বিভেদ ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি এটি আমরা যে রাজার জন্য শোক প্রকাশ করছি তার ঐতিহ্যকেও ধ্বংস করে দিতে পারে।
তোরো কিংডমের ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির প্রতিনিধি চার্লস কারুমাসিও এ বিষয়ে বক্তব্য দেন। তিনি জানান যে, তারা তোটোর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য মেনেই সবকিছু সম্পন্ন করেছেন এবং সবাইকে অবশ্যই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।
উল্লেখ্য যে, উান্ডার ঐতিহ্যবাহী কিংডমগুলো ১৯৬৭ সালে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৯০ এর দশকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইওয়েরি মুসেভেনি ঐতিহ্যবাহী এই কিংডমগুলো পুনরায় পুনরুদ্ধার করেন। তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই রাজ্যগুলোর পুনরুজ্জীবন ঘটেছিল।
বর্তমানে রাজা ওও নিম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থের প্রয়াণের পর সৃষ্ট এই উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব তোরো কিংডমের রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজপরিবারের দাবিকৃত উইল এবং প্রবীণ clan elders-দের মনোনীত উত্তরসূরির মধ্যকার এই টানাপোড়েন উান্ডার বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।








