ইউক্রেনে যুদ্ধকালীন নির্বাচনের দাবি বরখাস্ত মন্ত্রীর
ইউক্রেনের বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ যুদ্ধকালীন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তার এই দাবি চলমান রুশ আক্রমণের মুখে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ইউক্রেনে চলমান রুশ আক্রমণের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। দেশটির বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ যুদ্ধকালীন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তার এই দাবি ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রশাসনের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
রাশিয়ার আক্রমণের পর ইউক্রেনে জারি করা সামরিক আইনের কারণে বর্তমানে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। এদিকে, গত ২০২৪ সালের মে মাসে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাঁচ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের এই প্রসঙ্গটি সামনে চলে এসেছে।
নির্বাচনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়ে বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ স্পষ্টভাষায় বলেছেন, "গণতন্ত্রকে রাশিয়ার কাছে জিম্মি করে রাখা যায় না।" তার এই বক্তব্য ইউক্রেনের রাজনৈতিক মহলে বেশ বড় ধরনের আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ে অন্যান্য রাজনীতিকদের মধ্যেও মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ভলোদিমির আরিয়েভ মন্তব্য করেছেন, "আমরা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি যেখানে নির্বাচন আর বিশৃঙ্খলার মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে।"
অন্যদিকে, মিখাইলো ফেদোরভকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের পর তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাকে তার পদে পুনর্বহালের দাবিতে দেশের পার্লামেন্টের সামনে সাধারণ মানুষ ও সমর্থকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
যুদ্ধের এই সংকটময় সময়ে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন এই মেরুকরণ এবং নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতিতে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








