আলেকজান্দ্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দিনের কনস্যুলার ক্যাম্প
মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দিতে দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করেছে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস। গত শুক্রবার ও শনিবার আলেকজান্দ্রিয়ার গোল্ডেন স্টারস টেক্সটাইলে এই সেবা দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহজে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করেছে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস। গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে এই বিশেষ ক্যাম্পটি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত একটানা দুই দিন আলেকজান্দ্রিয়ার গোল্ডেন স্টারস টেক্সটাইলে অনুষ্ঠিত হয়। কায়রো থেকে দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজিত এই কনস্যুলার ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা নিশ্চিত করা হয়। এর মধ্যে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, পাসপোর্ট বিতরণ, ট্রাভেল পারমিট প্রদান, দূতাবাসের বিভিন্ন পত্র ইস্যু এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সত্যায়নসহ নানা ধরনের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হয়। ছুটির দিনগুলোতে কর্মব্যস্ত প্রবাসীরা স্বাচ্ছন্দ্যে এই সেবাগুলো গ্রহণ করতে পেরেছেন।
এই কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসের গৌতম কুমার দে জানিয়েছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ এবং তাদের সঙ্গে দূতাবাসের যোগাযোগ আরো জোরদার ও কার্যকর করাই এ ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা সরাসরি জানা এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করাও এ ক্যাম্পের অন্যতম প্রধান একটি লক্ষ্য। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের বহুদিনের নানা জটিলতা নিরসনে দূতাবাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে সচেষ্ট রয়েছে।
কায়রো থেকে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা দূতাবাসের এই পদক্ষেপে দারুণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, কায়রো থেকে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য এ ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ।
সেবাগ্রহীতা প্রবাসীরা আরো জানান, এর ফলে কায়রো যাতায়াতের দীর্ঘ সময় ও যাতায়াতের খরচ যেমন সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি নিজেদের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকায় খুব সহজেই প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন সেবামূলক ক্যাম্প অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদী।








