অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের নৈতিকতা প্রশিক্ষণ
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের জন্য প্রথমবারের মতো নৈতিকতাবিষয়ক উচ্চতর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির সহায়তায় আয়োজিত এই কর্মশালায় ১৬০ জন আইন কর্মকর্তা অংশ নেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আজ শুক্রবার বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আইন কর্মকর্তাদের জন্য নৈতিকতাবিষয়ক উচ্চতর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় আইনি সেবা আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির সহায়তায় 'বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের জন্য প্রসিকিউটরিয়াল এথিকসের নীতি ও অনুশীলনকে শক্তিশালী করা' শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাসস-এর পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মশালায় ১৬০ জন উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আইন কর্মকর্তা অংশ নেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে আইন পেশার নৈতিকতা ও পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইন কর্মকর্তাদের ভূমিকার ওপর বিশেষ জোর দেন। এ সময় ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করাই তাঁদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে স্্টিভেন রড্রিগেস তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ন্যায়বিচার শুধু আইন, আদালত, প্রক্রিয়া বা সাজা নিয়ে নয়; এর সঙ্গে মানুষের জীবন ও মর্যাদার বিষয়টি সরাসরি যুক্ত। সততা কোনো খণ্ডকালীন বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি দিন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রিস্টিয়ান হোলগে, রোমানা শোয়েগার, শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান এবং ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাঁরাও কর্মশালার বিভিন্ন সেশনে অংশ নেন এবং আইনি পেশার নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে 'শূন্য সহনশীলতা' নীতি বজায় রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এই প্রশিক্ষণ আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত জীবনে সততা ও নিষ্ঠা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।








