
ডার্ক সার্কেল দূর করার উপায় ও জীবনযাপনের পরিবর্তন
চোখের নিচের কালচে ভাব বা ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ২১ দিন নিয়ম মেনে চললে চোখের চারপাশের ত্বকের উন্নতি হতে পারে।
ট্যাগ

চোখের নিচের কালচে ভাব বা ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ২১ দিন নিয়ম মেনে চললে চোখের চারপাশের ত্বকের উন্নতি হতে পারে।

ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে নিমের ব্যবহার বেশ পুরোনো। নিম পাতায় থাকা যৌগের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য ত্বক সুরক্ষায় কাজ করে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

রোদ থেকে ত্বকে সৃষ্টি হওয়া পোড়া দাগ বা সান ট্যান দূর করতে লেবু ও টক দইয়ের মতো প্রাকৃতিক উপাদান অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সঠিক মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করে ত্বক সুরক্ষিত রাখা যায়।

গরম ও বৃষ্টির স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত সানস্ক্রিন, গোলাপজল স্প্রে এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

ধুলোবালি ও অনিয়মিত জীবনযাত্রার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। চাল, লবঙ্গ ও অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ঘরেই তৈরি করা সম্ভব কার্যকরী হাইড্রেশন নাইট জেল।

গোসলের পরও শরীরে দুর্গন্ধ ফিরে আসার প্রধান কারণ হলো ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি এবং ভেজা ত্বক। ময়লা কাপড় ও তোয়ালে ব্যবহারের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।

ব্যায়ামের সময় ঘাম ও অতিরিক্ত তেল জমে ত্বকে ব্রণ হতে পারে। সঠিক কিছু নিয়ম মেনে চললে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

ত্বক সুস্থ রাখতে ও বয়সের ছাপ রোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সুরক্ষার বিকল্প নেই। সম্প্রতি প্রকাশিত এক তথ্যে রোদ, ধূমপান ও মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।

বৃষ্টি, গরম ও আর্দ্রতার পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় গোসলের জন্য কুসুম গরম পানি সবচেয়ে ভালো বিকল্প। অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে ত্বককে শুষ্ক ও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ত্বকের শুষ্কতা রোধ করতে গোসলের সময় ১০ মিনিটের মধ্যে সীমিত রাখা উচিত।